Thursday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬ এ ১১:৪৭ AM

এনথ্রাক্স (তড়কা) রোগ প্রতিরোধে করণীয়

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ০৪-১১-২০২৫ আর্কাইভ তারিখ: ০৪-১১-২০২৬

এনথ্রাক্স (তড়কা) রোগ প্রতিরোধে করণীয়
এনথ্রাক্স (তড়কা) গবাদিপশুর একটি সংক্রামক রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলে গবাদিপশুর জ্বর, শ্বাসকষ্ট, লোম খাড়া হয়ে থাকা এবং শরীরের কাঁপুনি দেখা যায়। দ্রুত চিকিৎসা করা না হলে আক্রান্ত পশু ২ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মারা যায়। মৃত পশুর পেট দ্রুত ফেঁপে যায় এবং নাক, মুখ, কান, মলদ্বার ও যোনিপথে দিয়ে আলকাতরার মত রক্ত বের হয়।

করণীয়:
- এ রোগের লক্ষণ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
- অসুস্থ পশু সুস্থ পশু থেকে আলাদা রাখতে হবে।
- কোন ক্রমেই অসুস্থ পশু জবাই করা বা মাংস কাটা ছেঁড়া বা খাওয়া যাবে না।
- মৃত পশুর দেহের সব স্বাভাবিক ছিদ্রপথ কাপড় বা তুলা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে।
- মৃত পশু যেখানে/সেখানে না ফেলে বা পানিতে না ভাসিয়ে উঁচু স্থানে কমপক্ষে ৬ হাত গভীর গর্ত করে চুন ছিটিয়ে পুঁতে ফেলতে হবে।
- অসুস্থ পশুর সকল মলমূত্র, রক্ত ও বিছানাপত্র একই গর্তে ফেলতে হবে বা পুড়িয়ে দিতে হবে।
- আক্রান্ত স্থান ব্লিচিং পাউডার বা অন্য কোন জীবাণুনাশক ঔষধ দিয়ে পরিস্কার করতে হবে।
- এলাকায় সকল সুস্থ গবাদিপশুকে এনথ্রাক্স (তড়কা) রোগের টিকা (রিং ভ্যাকসিনেশন) দিতে হবে।
- এ বিষয়ে স্থানীয় জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।
- এনথ্রাক্স একটি জুনোটিক রোগ (আক্রান্ত পশু থেকে মানুষে সংক্রামিত হয়)।

আসুন আতংকিত না হয়ে সচেতন হই, সুস্থ গবাদিপশুকে সময়মত টিকা প্রদান করি।

ফাইল ১

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন